Page Nav

HIDE
ads banner

Breaking News:

latest

Top Ads

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাকে জুতাপেটা; অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের এমপি নিজ দলের উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে জুতাপেটা করে নতুন করে আলোচনায় আসলেন। উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগে...

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাকে জুতা পেটা; অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের এমপি নিজ দলের উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে জুতাপেটা করে নতুন করে আলোচনায় আসলেন।


উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চৌধুরীকে জুতা পেটা করেন এমপি বদরুদ্দোজ্জা মোঃ ফরহাদ হোসেন।


উল্টো নির্মল চৌধুরীও এমপির সাথে প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তবে তার আগেই পুলিশ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসে এমপিকে সরিয়ে মারের হাত থেকে রক্ষা করেন।


ঘটনার সূত্রপাত গত কিছুদিন পূর্বে এমপির পরামর্শে জলমহাল বিষয়ক সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটিতে নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুতুল রানি দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ লতিফ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা অরুন ভট্রাচার্য প্রমুখ ছিলেন। কমিটিতে নাম না থাকায় ক্ষুব্দ হন নির্মল চৌধুরী। এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে নির্মল চৌধুরী বেশ কয়েকবার ফোন করলেও ফোন রিসিভ করেননি এমপি বিএম ফরহাদ হোসেন।


ঘটনার দিন ১৩ মে শনিবার স্থানীয় ডাকবাংলোয় অবস্থান করছিলেন এমপি। সেখানে হঠাৎ কয়েক শত লোকের একটি দল নিয়ে হাজির হন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল চৌধুরী। অবশ্য পুলিশি বাধার কারনে লোকজন ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। অগ্যতা নির্মল চৌধুরী একাই ডাকবাংলোয় এমপির রুমে প্রবেশ করে জানতে চান, আপনি কেন আমার ফোন রিসিভ করলেন না? জলমহাল উপদেষ্টা কমিটিতে কেন আমাকে রাখা হলোনা?  


প্রতিত্তোরে এমপি বললেন, তুমি তো জলমহাল কমিটির সদস্য না। তুমি তো ওই কমিটির কেউ না। এ সময় নির্মল চৌধুরী খানিকটা রেগে যান এবং বলেন, তাহলে ওই কমিটিতে অরুন ঠাকুরের নাম কেমনে আসে? সেও তো কমিটির কেউ না।


এমন সময় এমপি চটে গিয়ে তুই তোকারি করে বলেন, সেই কৈফিয়ত কি তোকে দিতে হইবো নাকি? প্রতিত্তোরে নির্মল চৌধুরী উত্তেজিত হয়ে বলেন, অবশ্যই, এটা আমার সমাজের ব্যাপার। এতেই আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সাংসদ। ডাকবাংলোয় ভরা মজলিশের মধ্যেই পা থেকে জুতো খুলে নির্মলকে পেটাতে শুরু করেন। তার সঙ্গে চলতে থাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি। এক পর্যায়ে এমপিকে থামাতে ছুটে আসে পুলিশ ও নেতৃবৃন্দ। তারা নির্মল চৌধুরীকে বাইরে নিয়ে যান। পরে এমপি নির্মল চৌধুরীকে নিয়ে ডাকবাংলোর ত্রিসীমানার ভেতর না আসতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন।

-একুশে সংবাদ

No comments

আপনার কমেন্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ!

Latest Articles